বিদেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক।

0 12

দেশি-বিদেশি নাগরিক যেকোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে এলেই ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সোমবার এই নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ পুনরায় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এতে বিদেশফেরত লোকজনের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি জরুরি সেবাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করা, মাস্ক পরা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা, অপ্রয়োজনে রাত ১০টার পর ঘর থেকে বের না হওয়া, গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।এসব সিদ্ধান্ত এখন থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে এবং আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত তা কার্যকর থাকবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হতো। তবে গত ১৩ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, যুক্তরাজ্যফেরত ব্যক্তিদের সরকারি উদ্যোগে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে চার দিন। করোনা পরীক্ষার পর নেগেটিভ ফল এলে নিজ নিজ বাড়িতে আরও ১০ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তারা।

এদিকে করোনা পরীক্ষায় ফল যদি পজিটিভ আসে, তাহলে যুক্তরাজ্যফেরত ব্যক্তিদের সরকার-নির্ধারিত আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি হতে হবে বলেও নির্দেশনা দেয়া হয়। এখন নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু যুক্তরাজ্য নয়, যেকোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে এলেই ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সাংবাদিকদের বলেন, আগে যুক্তরাজ্যফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক ছিল। বর্তমান প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী যেকোনো দেশ থেকে এলেই কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক।

Leave A Reply

Your email address will not be published.