করোনা মোকাবেলায় জনগণের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

0 23

হঠাৎ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আনতে জনগণের সহায়তা চেয়েছেন।

কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় করে, বিয়ে-শাদীর অনুষ্ঠান ঘরোয়া ভাবে করা, জনসমাগম যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা, অযথা বাইরে বা দোকানপাটে ঘুরাঘুরি না করার আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু আবার বিশ্বব্যাপী প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশেও গত কিছুদিন ধরে হঠাৎ দ্রুত সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকে হয়ত মনে করছে, যেহেতু টিকা নিয়েছেন আর কিছু হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানা বন্ধ হয়েছে। যত বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে সেখানে অনেকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, যারা পর্যটনে গেছে সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন।’

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের সরকারের ১৮ দফার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবার ধীরে ধীরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার চেষ্টা করছে। সেজন্য জনগণের সহায়তা দরকার। সেই সঙ্গে সবসময় মাস্ক পরা, নাকে গরম পানির ভাপ নেওয়া ও নাকে সরিষার তেল দেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট জনকে হারিয়েছি এই করোনার কারণে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী একজন ভালো সংগঠক ছিলেন। কয়েকদিন আগেও কথা হল। সবসময় সক্রিয় ছিল। চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা নিতে না নিতেই চলে গেলেন। মানুষের জন্য কাজ করার আগ্রহ ছিল তার।’

মহামারির মধ্যেও সংবিধানের নিয়ম রক্ষায় সকাল ১১টায় বসে চলতি সংসদের দ্বাদশ অধিবেশন। সংসদ সদস্যরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিবেশনে যোগ দেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বৈঠকের শুরুতে চলতি অধিবেশনের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন করেন।সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন- আব্দুল কুদ্দুস, মৃণাল কান্তি দাশ, নজরুল ইসলাম, মুজিবুল হক ও শাহাদারা মান্নান।স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে অগ্রবর্তীজন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.