হেফাজতকে চিরতরে সমাবেশ থেকে বয়কটের ঘোষণা সাংবাদিকদের

0 18

হেফাজতে ইসলামকে সমাবেশ থেকে চিরতরে বয়কটের ঘোষণা দেওয়া হয়।গত রোববার হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে হামলা, ভাঙচুর ও প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ ঘোষণা করেছে জেলার সাংবাদিকরা

বেলা সাড়ে ১১টায় আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়।মিছিল নিয়ে শহরের হাসপাতাল রোড, কোর্ট রোড ও টিএ রোড প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশ করে সাংবাদিকরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ও এটিএন নিউজের পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরো প্রধান পীযুষ কান্তি আচার্য্যের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক মনির হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুরুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি সাংবাদিক জয়দুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, দৈনিক সমকালের নিজস্ব প্রতিবেদক আবদুন নূর, বাহারুল ইসলাম মোল্লা, মফিজুর রহমান লিমন, মজিবুর রহমান, মোশারফ হোসেন বেলাল,  বিশ্বজিৎ পাল বাবু ও হাবিবুর রহমান পারভেজ।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি জয়দুল হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে হেফাজতে ইসলাম। তারা যে শুধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতা করেছে তাই নয়, বাংলাদেশে যা কিছু মুক্তবুদ্ধির চর্চা সবকিছুর বিরোধিতাই এখন হেফাজতের প্রধান রাজনৈতিক কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন বলেন, ‘তারা বেছে বেছে স্বাধীনতা ও প্রগতির পক্ষের সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে৷ দেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস ও মুক্তিযোদ্ধার চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তারা প্রমাণ করেছে, তারা দেশকে মধ্যযুগে নিয়ে যেতে চাইছে।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.