আরো ১ সপ্তাহ বাড়লো লকডাউন।

0 32

সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউন আরও ১ সপ্তাহ বাড়িয়েছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আজ সোমবার দুপুরে সচিবদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়ে সামনের ঈদকে সামনে রেখে দোকানপাট খুলে দেওয়ার ব্যাপারে বলেন, ‘সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করাটা আমাদের উদ্দেশ্য, ব্যবসায়ীরা যাতে ঈদের ব্যবসাটা করতে পারে। সেটা মাথায় রেখেই এখন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতি কী হয় সেটা বিবেচনা করেই পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হবে। আমরা মনে করছি আরও ৭ দিন লকডাউন দিলে সংক্রমণটা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।’

গতকাল রবিবার রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩১তম সভা থেকে লকডাউন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।করোনা পরিস্থিতি অবনতির কারণে গত ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকার ঘোষিত আটদিনের লকডাউন চলছে সারা দেশে। দুদিন পর এই চলমান লকডাউনের সময় শেষ হওয়ার কথা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, লকডাউন বাড়ানো হতে পারে বলে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান। তবে জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে ঈদের আগে শিথিল করা হতে পারে বলেও আভাস দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।

চলমান কঠোর লকডাউন আরো ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করে আজ সকালে দেশে করোনা বিস্তার রোধে গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটির বিশেষজ্ঞরাও বিবৃতি দেয়। পরিস্থিতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটির ৩১তম অনলাইন বৈঠকে এই সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

এ বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টিও কমিটি উপলব্ধি করে। তবে, বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বাড়তে থাকা, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্খিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে। পাশাপাশি সভা সামাজিক সমতার বিষয়েও নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। স্বাস্থ্য, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে, খোলা রাখা জরুরি সেবার তালিকা প্রকাশ করার জন্য কমিটি অনুরোধ করেছে। তা না হলে বিরূপ পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.