বিশ্বের কোনো অঞ্চল শুভেচ্ছা জানাতে বাদ পড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

0 10

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন বিশ্বের সব অঞ্চল থেকেই রাষ্ট্রনেতারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন।তিনি বলেছেন, ‘লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতেই তিনি কাজ করছেন।’

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোয় সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।আজ  সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আলোচনাসভায় যোগ দিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন, ২৬ মার্চ পাকিস্তানের প্রাইম মিনিস্টার ইমরান খান, সেও শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছে। অর্থাৎ পৃথিবীর মনে হয় কোনো অঞ্চলে কেউ বাদ নেই বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা বার্তা দিতে। এটাই হচ্ছে সার্থকতা।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি আজকে, সেই স্বাধীনতার সুফল বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে আমরা পৌঁছে দেব এবং সেটা দেবার মতো দক্ষতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে। আর তা অর্জন করেছে বলেই আজকে সারা বিশ্ব বাংলাদেশের জনগণকে সম্মানিত করেছে আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে শুভ্চ্ছো বার্তা দিয়ে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে  বলেন, ‘আমাদের যাত্রা… অনেক দূর যেতে হবে। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশ, আজকে বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ, আজকে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে গেছে, আজকে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, কিন্তু বাংলাদেশকে আমরা উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন।

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের কাছে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরতে গিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, যে আদর্শকে আবারও আমরা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি, যে আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের মহাসড়কে চলমান, সেই আদর্শ ধারণ করেই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমরা বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা করে গড়ে তুলব ইনশাল্লাহ।’

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.