ফিল্মি কায়দায় রাস্তা বন্ধ করে প্রায় আধা ঘণ্টা লাঠিপেটায় গুরুতর আহত।

1 11

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব ও প্রভাব বিস্তারের জের ধরে ফিল্মি কায়দায় রাস্তা বন্ধ করে প্রায় আধা ঘণ্টা লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হয়েছেন কাঞ্চন পৌর যুবলীগ নেতা আব্দুর রহমান (৩০) ও তার বন্ধু সাদেক মিয়া (৩১)। অজ্ঞান অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মারধর ও অস্ত্রের মহড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়েছে।

একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, সন্ত্রাসী ওই বাহিনী সাদেক ও আব্দুর রহমানকে মারধর শেষে কাঞ্চন পৌরসভা গেটে তাণ্ডব চালিয়ে মহড়া দিয়েছে।রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন মন্ডল বাড়ির চাঁন টেক্সটাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত যুবলীগ নেতা আবদুর রহমান জানান, ‘সোমবার বেলা ১১টার দিকে মোটরসাইকেলযোগে কাঞ্চন মন্ডল বাড়ির পাশে বন্ধু সাদেককে আনতে যাই। মোটরসাইকেলের পেছনে আগ থেকেই দুটো অটোরিকশা আমাকে অনুসরণ করতে থাকে। তাদের সবার হাতে ছিল দেশীয় অস্ত্র রামদা, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা। ওই সময় তারা আমাকে ও সাদেককে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। আমি ও সাদেক চিৎকার করলে আশেপাশের মানুষ এগিয়ে আসতে চাইলেও তারা দুপাশের রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে শাসিয়ে দেয়। পরে মারধরে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মহসীন কাদের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় জানান, ‘এ বিষয়ে অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি। রূপগঞ্জ পুলিশ এখন স্পটে অভিযান পরিচালনা করছে। রাত ১২টার মধ্যে আমরা একটি রেজাল্ট দেয়ার চেষ্টা করব।

আব্দুর রহমান আরো জানান, ‘আমাকে মারার আগে আরেক যুবলীগ নেতা শুভকেও তারা মারধর করেছে। অস্ত্রধারীরা সকলেই কাঞ্চন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল কলির বাহিনী। এদের অনেকেকেই আমি চিনতে পেরেছি। এরা মারধর শেষে আমার মোটরসাইকেল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.