শাল্লার ঘটনায় অপরাধীর দলীয় পরিচয় বিবেচ্য নয়: এসপি

1 15

শাল্লার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন, ‘শাল্লার নোয়াগাঁও গ্রামের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে শহীদুল ইসলাম স্বাধীন মিয়ার বিরোধ ছিল। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে। অপরাধী কোন দলের সেটি আমাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা তদন্ত করছি।’ রবিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস বিফিংয়ে এসব কথা বলেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘এই ঘটনায় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। কে দোষী কে নির্দোষ সেটা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। এর বাইরে আমরা কিছু বলতে চাই না।’

তিনি বলেন, ঘটনার দিন পুলিশ না থাকলে হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটত। পুলিশ নোয়াগাঁও গ্রামের পশ্চিম দিকে অবস্থান করে আর হামলাকারীরা নদী পাড় হয়ে পূর্ব দিক দিয়ে উঠে কিছু বাড়ি ঘরে হামলা চালায়। নোয়াগাঁও গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ খুবই গরীব। তাই তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগে যা ঘটছে এরপর আর কোনো কিছুই হয়নি।ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয় বলে জানান জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে চার-পাঁচটা গ্রামের মানুষ নোয়াগাঁও গ্রামে অবস্থান করছিল। তবে কতজন লোক সেখানে ছিল সেটা বলা সম্ভব না। তবে একটা মেসেজ দিতে পারি, তা হলো- অকারণে কাউকে হয়রানি করা হবে না। পুলিশ জনগণের বন্ধু, কে ওই ঘটনা ঘটিয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল দ্রুত তদন্ত শেষ করে আপনাদেরকে (সাংবাদিকদের) জানিয়ে দেয়া হবে।’

তিনি্ আরও বলেন, ‘যেদিন ঘটনাটি ঘটে সেই দিন জাতির পিতার জন্মদিন ছিল, আমরা সেই প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। যে সময় ওই ঘটনা ঘটে সঙ্গে সঙ্গে আমি আর জেলা প্রশাসক সেখানে গিয়ে ওই গ্রামে সবার সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের বলেছি আর আতঙ্কে থাকার দরকার নেই। যত দিন তাদের আতঙ্ক দূর না হচ্ছে পুলিশ সেখানেই থাকবে।’

এসময় প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান, সদর থানার ওসি শহিদুর রহমান প্রমুখ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.