সম্পূর্ণ প্রস্তুত বেশিরভাগ ফ্ল্যাট বিক্রি হয়ে গেছে ঢাকায়।

0 14

কোনো প্রশ্ন ছাড়াই নির্ধারিত পরিমাণ কর দিয়ে অবৈধ ও অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগ করা যাবে নির্দিষ্ট কিছু খাতে। সরকারের এমন ঘোষণার পর থেকেই বেড়েছে জমি ও ফ্ল্যাটে এসব টাকার বিনিয়োগ।বাড়ি ক্রয়ের জন্য কম সুদে ঋণ এবং শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে এই চাহিদা আরও বেড়েছে।

২০১৮ সালের মে মাসে প্রায় ১১ হাজার ফ্ল্যাট অবিক্রীত অবস্থায় ছিল। জানায় ,রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) অথচ এখন পত্রিকার পাতা উল্টালেই দেখা যায় বাড়ি তৈরির জন্য জমি খুঁজছেন ল্যান্ড ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলো। 

 

রিহ্যাব সভাপতি জানান, গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে প্রায় দুই হাজার ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে।রিহ্যাব সভাপতি মনে করেন, আবাসন খাতে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি কালো টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সরকারের এই সহায়তা আরও বাড়ানো উচিৎ। বিশেষ করে রেজিস্ট্রেশনের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি প্রায় ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাত শতাংশ করা উচিৎ।বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াসের (বিটিআই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফআর খান বলেন, সরকারের ঘোষিত কালো টাকা সাদা করার সুযোগের পাশাপাশি ব্যাংক আমানতের ওপর কম হারে সুদ দেওয়ায় গত সেপ্টেম্বর থেকে ফ্ল্যাটের চাহিদা বেড়েছে।যাদের কাছেই বিনিয়োগ করার সুযোগ ছিল তারা এই মহামারির মধ্যে স্থায়ী সম্পদ হিসেবে ফ্ল্যাট কিনেছেন।সম্প্রতি ভবন তৈরির কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, এর কারণে ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের দাম ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়ে যাবে এবং এর প্রভাব সরাসরি গ্রাহকদের ওপর পড়বে। রিহ্যাবের সহসভাপতি ও স্কিরোজ বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল মাহমুদ বলেন, এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ বর্গফুটের মাঝারি আকারের ফ্ল্যাটের চাহিদা বেড়েছে। মূলত, সম্পূর্ণ তৈরি ফ্ল্যাটের চাহিদা বেশি। কারণ, শুল্ক সুবিধায় অর্থ বিনিয়োগে তারা সময় নষ্ট করতে চান না।

সরকার যদি এ জাতীয় সুযোগ অব্যাহত রাখে তাহলে দেশের রিয়েল এস্টেট খাত এ বছরও অনেক ভালো করবে এবং মহামারির প্রভাবে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন

Leave A Reply

Your email address will not be published.