পদত্যাগ করার ঘোষনা দিলেন কাদের মির্জা।

0 13

আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করার ঘোষনা দিলেন কাদের মির্জা।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ বুধবার দুপুর ৩টার দিকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি ডিএস (ডেপুটি সেক্রেটারি) পদমর্যাদার হওয়া স্বত্বেও ইউএনও আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। যে দলে সম্মান নেই সেখানে আমি থাকব না।’দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে কাদের মির্জা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানান।

কাদের মির্জা আরও বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছি কারণ আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির শিকার। আমি ও আমার দলের কর্মী-সমর্থকদের ওপর প্রতিপক্ষের হামলা ও মিথ্যা মামলার বিচার চেয়েও পাইনি। প্রশাসনের লোকজন আমার ও আমার লোকজনকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে।’‘আমি ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিবিদ হয়ে এবং একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মেয়র হওয়ার পরও স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার ওসি ও পরিদর্শক (তদন্ত) আমাকে নানাভাবে অপমান অপদস্থ করেই চলছেন। এর কোনো প্রতিকার নেই। আমি বিরোধী দলে থাকা অবস্থায়ও কোনোদিন অসম্মানিত হইনি। অথচ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়।’

‘আমি বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সদস্য হয়েছি এখান থেকেই কাজ করব, বলেন কাদের মির্জা। দলের কোন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে না থাকলেও, দলীয় কর্মকাণ্ডে তিনি তার অনুসারীদের পরোক্ষভাবে সমর্থন করবেন বলে জানান।ভবিষ্যতে কোন ধরনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না এবং দলীয় পদও নেবেন না বলে জানান কাদের মির্জা।

কাদের মির্জা আরও বলেন, ‘আমি নোয়াখালী ও ফেনীর জেলা আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির হোতা একরামুল করিম চৌধুরী ও নিজাম হাজারীর দুর্নীতির কথা সত্য বচনের শুরু থেকেই বলে আসছি। তাদের এই অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে আমি কথা বলেই যাবো। নোয়াখালীতে একরামুল করিম চৌধুরীর অবৈধ অস্ত্রের বলি ২৬ জন লোক। ফেনীতে নিজাম হাজারীর অবৈধ অস্ত্রের বলি প্রায় ১০০ লোক। তাদের বিচার যেন প্রধানমন্ত্রী করেন। সেই আবেদন রইল।’

তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে  বলেন, ‘দলের অসৎ ও খারাপ লোকদেরকে আপনি শায়েস্তা করুন।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.