কোনোভাবেই পণ্যবাহী গাড়িতে যেন যাত্রী না ওঠে: কাদের

0 13

সারাদেশে লকডাউন চলাকালে সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন যাতে কোনোভাবেই যাত্রীবাহী পরিবহন করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার সকালে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চলমান কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন ওবায়দুল কাদের।তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

এদিকে সারাদেশে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা আসার পর লঞ্চ ও ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঘরমুখো এসব মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানা ও সামাজিক দূরত্বের বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এমন মনোভাব করোনা সংক্রমণকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  ড্রাইভিং লাইসেন্স বিষয়ে  বলেন, দীর্ঘদিন সীমিত পর্যায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। লাইসেন্সের এনরোলমেন্ট এবং বায়োমেট্রিক প্রদানের কাজ শুরু হলেও তেমন গতি পায়নি, তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিএ’র চেয়ারম্যানকে দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করার তাগিদ দেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাকালে গণপরিবহন চলাচলে শর্ত প্রতিপালনের ক্ষেত্রে অনেক মালিক শ্রমিক কথা রাখেনি। আবার কেউ রেখেছে। অনেকে সমন্বয়কৃত ভাড়া আদায় করেছে ঠিকই কিন্তু অর্ধেক আসন খালি রাখেনি। এসব বিষয়ে এবং গণপরিবহনে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে কঠোর মনিটরিং জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বাড়িয়ে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে উল্লেখ করে বলেন, জেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।তিনি আরও বলেন, যেখানে অনিয়ম সেখানে ব্যবস্থা নিতে হবে, কাউকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংশ্লিষ্টদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানান,গণপরিবহন পরিচালনায় সরকার যখন যে নির্দেশনা দিবে তা কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে,এবিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য  ।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.