ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন কেন নয় বিয়ে-তালাকের: হাইকোর্ট

0 18

বিয়ে ও তালাকের ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল দেন আজ। আদালত আরও জানতে চেয়েছেন, পারিবারিক জীবনের সুরক্ষায় একটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট তৈরি করে বিয়ে ও তালাকের তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না।আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ৪ মার্চ মানবাধিকার সংস্থা এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন  এবং তিন ভুক্তভোগী যৌথভাবে রিট আবেদন করেন। তিন জন হলেন— ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রী তামিমা সুলতানার প্রাক্তন স্বামী রাকিব হাসান, ঢাকার উত্তর কমলাপুর এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন ও নোয়াখালীর কাশিপুরের বাসিন্দা মো. কামরুল হাসান।

 

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি আদালতকে অবহিত করেন, এখনো সনাতন পদ্ধতিতে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন করা হয়, প্রযুক্তির আওতায় আসেনি। ফলে অতীতের বিয়ের তথ্য গোপন রেখে অনেকে একাধিক বিয়ে করেন। ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন না থাকায় এই প্রতারণার সুযোগ থেকে যাচ্ছে। একটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা হলে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়ানোর আগেই যে কেউ যাচাই করে নিতে পারবেন। এতে করে হাজারো মামলা হ্রাস পাবে।ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ।

 

পারিবারিক জীবনের সুরক্ষায় একটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট তৈরি করে বিয়ে ও তালাকের তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে কিনা তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন এবং তিন ভুক্তভোগী যৌথভাবে গত ৪ মার্চ রিট আবেদন করেন। তিন জন হলেন— ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রী তামিমা সুলতানার প্রাক্তন স্বামী রাকিব হাসান, ঢাকার উত্তর কমলাপুর এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন ও নোয়াখালীর কাশিপুরের বাসিন্দা মো. কামরুল হাসান।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি আদালতকে অবহিত করেন, এখনো সনাতন পদ্ধতিতে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন করা হয়, প্রযুক্তির আওতায় আসেনি। ফলে অতীতের বিয়ের তথ্য গোপন রেখে অনেকে একাধিক বিয়ে করেন। ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন না থাকায় এই প্রতারণার সুযোগ থেকে যাচ্ছে। একটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা হলে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়ানোর আগেই যে কেউ যাচাই করে নিতে পারবেন। এতে করে হাজারো মামলা হ্রাস পাবে।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.