বারবার ফিরে আসছেন জয়ের আনন্দে ল্যাম্পার্ডও।

0 18

বারবার ফিরে আসছেন জয়ের আনন্দে ল্যাম্পার্ডও।শুধু একটি গোল। গোলটি হয়তো চেলসির সমর্থকেরা বারবার দেখবেন। কে জানে ইউটিউবেই হয়তো এই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাই হাভার্টজের সেই গোলটি মিলিয়ন মিলিয়নবার দেখা হয়ে গেছে।

সেই গোলেই আকাশ ছুঁয়ে ফেলল চেলসি। ওই একটি গোলই থামিয়ে দিল ম্যানচেস্টার সিটির দাপট, পেপ গার্দিওলার জারিজুরি। পেট্রো ডলারে উদ্ভাসিত সিটির স্বপ্নভঙ্গ ওই এক গোলেই।

মেন্দি, চিলওয়েল, ভেরনার, হাভার্টজ—গোলের প্রত্যেক কারিগরই ল্যাম্পার্ডের হাত ধরে স্টামফোর্ড ব্রিজে এসেছেন। বিশ্বের সবচেয়ে দামি গোলকিপার কেপা ভালো করছেন না, সেটি দেখার পর তাঁকে বেঞ্চে বসিয়ে রেখে নতুন আরেক গোলকিপার কেনার সাহস এই ল্যাম্পার্ডই দেখিয়েছিলেন প্রথম। রেনেঁ থেকে দলে টেনেছিলেন মেন্দিকে। ২৯ বছরের সেই মেন্দি আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের দশ ম্যাচে গোল না খেয়ে চেলসির সাফল্যের অন্যতম নায়ক।

কেমন ছিল সে গোলটি? সেটি এমন একটা সময় এসেছে, যখন সিটির রাহিম স্টার্লিং, বের্নার্দো সিলভা, কেভিন ডি ব্রুইনারা ক্রমাগত প্রেস করে চলেছেন। সেই সময়ই চেলসির দুই সেন্টার ব্যাক আন্দ্রেয়া ক্রিস্টিয়ানসেন আর সেজার আসপিলিকুয়েতা বল পেয়ে সেটি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি না নিয়ে পেছনে থাকা গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দিকে পাস বাড়ালেন। ক্ষণিকের মধ্যেই আক্রমণের দিক পাল্টে দিলেন এই সেনেগালিজ, লম্বা করে বল বাড়ালেন মাঝমাঠের একদম বাঁয়ে টাচলাইন ঘেঁষে থাকা লেফটব্যাক বেন চিলওয়েলের কাছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.