শরীয়তপুরে কিউ টিভি ও দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার সাংবাদিকের বাবাকে জেল জরিমানা করেছে ইউএনও।

0 71
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার স্হায়ী বাসিন্দা ও দীর্ঘ ৩৪ বছরের আগের অভিজ্ঞ দন্ত চিকিৎসক মোঃশাহজাহান কবির কে মিথ্যা প্রতারণার জালে ফাঁসিয়ে জেল জরিমানা করার অভিযোগ উঠেছে।
শাহজাহান কবির ডামুড্যা উপজেলার সর্বপ্রথম দন্ত চিকিৎসক। গত ১৫ই এপ্রিল রোজ বৃহস্পতিবার ডামুড্যায় রুগী দেখতে গেলে দুপুর অনুমান ১২ ঘটিকার সময় ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানাব মুর্তজা আল-মুইদ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ২মাসের জেল ও ১০হাজার টাকা জরিমানা করেন। শাহজাহান কবির দীর্ঘ ৩৪ বছর যাবত সততার ও নিষ্ঠার সাথে ডামুড্যায় এই দন্ত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসিতেছেন। তিনি ঢাকা ডেন্টাল এসোসিয়েশন থেকে ১৯৯৪ সালে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পূর্ণ করেন,যাহার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বারঃ-১৭৭৬/৪৩, তিনি ডিপ্লোমা ডেন্টাল এসিস্ট্যান্ট তথা (DDA) কোর্স সম্পূর্ণ করেন যাহার রেজিষ্ট্রেশন নং-০১৪৮। এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেল্থেরে একটি সার্টিফিকেট রয়েছে তাহার। তারপরও মোঃশাহজাহান তার নামের আগে কোথাও “ডাক্তার” নামটি বসান নাই, এবং তার দেয়া প্রেসক্রিপশন ও সাইনবোর্ডের কোথাও “ডাক্তার” নামটি লেখা নেই। তারপরও তাকে বার বার পুলিশ প্রশাসন দিয়ে হেনস্তা করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ডামুড্যার একটি কু-চক্র মহল।
তাকে সর্ব প্রথম রাজনৈতিক কলহের কারণ ২০১৪ সালের ১৪ই ডিসেম্বর চিকিৎসক মোঃশাহজাহান কবির ও তার পরিবারের উপর মিথ্যা মামলা, হামলা দিয়ে হেনস্তা শুরু করে এবং তার বাড়ি, ঘড় ভাংচুর করেন ডামুড্যার কুলকুড়ি গ্রামের কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসী বাহিনীরা । শাহজাহান কবিরের ৩ মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। পরে ২০১৬ সালে সকল তথ্য ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে শাহজাহান কবির এবং তার ছেলে সাংবাদিক রেদওয়ান কে মিথ্যা মামলা থেকে খালাস প্রদান করেন শরীয়তপুরের জেলা জজ আদালত।
পরিবারের দাবি চিকিৎসা সেবায় ডামুড্যাতে শাহজাহান কবিরের অনেক সুনাম রয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে সপ্তাহে ২ দিন দাতের চিকিৎসা করতে যেতেন এবং বাকি সময় শরীয়তপুরে রুগী দেখেন। ডামুড্যা বাজারের কিছু বিক্রিত মস্তিষ্কের লোক যারা অন্যের ভালো সহ্য করতে পারে না ও অসাধু ব্যাক্তির শত্রুতার কারনে বার বার অহেতুক ভাবে জেল জরিমানার শিকার হয়েছেন মোঃ শাহজাহান কবির। ডামুড্যাতে তারমতো অনেক চিকিৎসক রয়েছে এবং তারা প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে ঠিকই রুগী দেখে যাচ্ছেন, এ বেপারে প্রশাসনের কোন ভূমিকা না থাকলেও শাহজাহান কবির এর উপর ঠিকই রয়েছেন বলে জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
শাহজাহান কবির এর ছেলে মোঃরেদওয়ান বিন কবির বর্তমানে শরীয়তপুর জেলা জজ কোর্টের একজন শিক্ষানবীশ আইনজীবী ও সাংবাদিক, তিনি জাতীয় দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার, Qtv Bangla এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি ও আজকের নিউজ ২৪বিডি ডটকম এর সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
এ বেপারে শাহজাহান কবিরের ছেলে সাংবাদিক মোঃরেদওয়ান বিন কবির এর কাছ থেকে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেনঃ- আমার বাবা একজন সৎ, ন্যায়পরায়ন লোক বটে, তারমতো এমন একজন বয়স্ক ভদ্রলোক কে যারা অপমান ও সাধারণ মানুষের কাছে হ্যায়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ও ডামুড্যার কিছু অসাধু চক্র উঠেপড়ে লেগেছেন, আজ হয়তোবা তারা জয়ী হয়েছেন। কিন্তু এই রমজান মাসে আমার বাবার সাথে যারা এইরকম নিকৃষ্ট কাজ করছেন তাদের বিচার মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হয়তোবা এই দুনিয়ার মধ্যেই একদিন করবেন ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, তবে ডামুড্যা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জানাব মুর্তজা আল-মুইদ সাহেবের সাথে আমি মুঠোফোনে কথা বলেছি, তিনি নিসন্দেহে একজন ভালো মানুষ। তিনি হয়তোবা তার ডিউটি পালন করেছেন।
আমার বাবা কোন অন্যায় করেতে পারেনা, এবং এরকম কোন শিক্ষা দিয়ে আমাদের লালন পালন করেনি। তিনি ডামুড্যাতে দীর্ঘ ৩৪ বছর যাবত সর্ব প্রথম একজন দাঁতের চিকিৎসক হিসেবে এখনো নিয়োজিত রয়েছেন। অনেক সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা ও অফিসার বৃন্দ আমার বাবার রুগী আছে, তা আমরা নিজের চোখে দেখেছি। এই লকডাউনের মধ্যে প্রতিটি মানুষ যেখানে অসহায় সেখানে জরিমানাটাই মনে হয় যথেষ্ট ছিলো।
আমাদের কাছে মনে হচ্ছে আমার বাবা যদিও কোন আইন ভঙ্গ করে থাকেন বা অপরাধ করে থাকেন তাহলে হয়তো জরিমানা করে ছেড়েদিতে পারতেন, ১০হাজারের জাগায় ২০হাজার টাকা জরিমানা করতে পারতেন, লকডাউনের মধ্যে এরকম একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে এই রমজান মাসে সরাসরি জেল দেওয়া অমানবিক ও অসংগত কারন বলে আমার মনে হচ্ছে। কারন ডিসি, এসপি, ইউনো বা ম্যাজিস্ট্রেটই যেই হোক না কেনো তারাওতো কোন না কোন বাবার সন্তান, আজকে যদি আমার বাবাকে তাদের বাবার মতো ভাবতো তাহলে হয়তো এতো কঠিন পদক্ষেপটা নিতে পারতেন না। তবে বর্তমানে এটাই হয়তো দুনিয়ার নিয়ম হয়েগেছে। সুতরাং আজ আমার বাবা শাহজাহান কবির এর সাথে যা হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক এবং এতে আমি ও আমার পরিবার ও আমার সহকর্মী সকল সাংবাদিক ভাইয়েরা খুবই মর্মাহত।
তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে সকল মানুষেরা মিথ্যা তথ্য লিখে তিলেরে তাল বানিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও ফেইজবুকে পোস্ট দিচ্ছে, খুব শীগ্রই আমি তাদের বিরুদ্ধে কোর্টে আইনী ব্যবস্থা নিবো।
Leave A Reply

Your email address will not be published.