অযাচিত হয়রানি বন্ধ করতে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনের মাধ্যমে নেয়া হোক।

0 242
নোয়াখালীঃ
হাতিয়া  উপজেলা
শিক্ষকদের অযাচিত হয়রানি বন্ধ করতে যতগুলো অফলাইন জন্ম নিবন্ধন আছে তা অনলাইনে নেয়া হোক। মানুষ হোল্ডিং কর পরিশোধ করে জন্ম নিবন্ধন করেছে।  এখন সেই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন নাই। শিক্ষকদের ইএফটি এন্ট্রি করতে গিয়েও একইরকম সমস্যা।  জন্ম নিবন্ধন নিয়ে অহেতুক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। প্রথম কিস্তির টাকা ঠিকমতো যাচাইয়ের কাজ করার আগেই দ্বিতীয় কিস্তির চাহিদা দেয়া হল। কিন্তু ওয়েটিংএ থাকা টাকার ব্যাপারেও কোন সিদ্ধান্ত নাই। এখন সার্ভার সমস্যা তার উপরে নির্বাচনের কারণে কাজ সীমিত অথবা বন্ধ(এমনটাই নিবন্ধন অফিস বলছে) এর সাথে বছরেরও বেশি সময়ধরে  করোনার উৎপাত। সন্তানের নিবন্ধন করতে বাবা-মায়ের লাগবে আর তা না থাকলে দাদা-দাদীর নিবন্ধন লাগবে অথবা মারা গেলে মৃত্যু সনদ আর এই কাজগুলো সহজেই সম্ভব হচ্ছেনা। অনেকেই এখনো যোগাযোগ করছে সংশোধনের জন্য। যে নম্বর দিয়েছেন অভিভাবক তার প্রায় ২০/৩০% অটো পিন সেট করা। ফলে অভিভাবক বুঝতেই পারছেনা যে, তাদের টাকা আদৌ আছে কি না!
ইএফটি এন্ট্রি করতে দেরি হওয়ার প্রধান কারণও  শিক্ষকদের সন্তানদের অধিকাংশ অনলাইনে নিবন্ধন না থাকা।
এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধনের কপি আহবান করা হয়েছে আর তা সারা দেশে কিনা জানা নেই বা অন্য উপজেলায় এর কোন সিদ্ধান্ত নেই।  অনেক শিক্ষার্থীর নিবন্ধন অনলাইনে নাই। এতে করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছাবে।   ডিমান্ড শিটে শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন,  অভিভাবকদের আইডি ও মোবাইল নম্বর রয়েছে।  তা দেখে ভেরিফাই করা যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যদি শিক্ষকদের পক্ষে কষ্ট করে অনলাইন ভেরিফাই সম্ভব হয় তবে বিশেষত বর্তমানে প্রাপ্তদের মধ্যেও ৫০% কমে যাবে। বাদ যাবে কিট এলাউন্সসহ ২ কিস্তির টাকা। যদিও নগদের প্রথম আপ্লোডের সময় অফলাইন জন্ম নিবন্ধন চলবে বলা হয়েছিল।
এমতাবস্থায় সঠিক গাইডলাইন জরুরি। মাঠ পর্যায়ের সাথে সমন্বয় না থাকলে খরচ কমাতে ও সেবা সহজিকরণ প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়তে পারে।
আবদুল্লাহ আল মোজাহিদ
হাতিয়া উপজেলা  প্রতিনিধি
Leave A Reply

Your email address will not be published.